টিআইবির অনুপ্রেরণায় গঠিত সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক)মধুপুর ও স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের যৌথ উদ্যোগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার মধুপুর উপজেলার আলোকদিয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এ গণশুনানি নিয়ে টিআইবি, মধুপুর কার্যালয়ের এরিয়া কো-অর্ডিনেটর জিনিয়া গ্লোরিয়া ম্রংয়ের পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তির তথ্যের ভিত্তিতে শালবনবার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-এ ৩০ সেপ্টেম্বর বুধবার একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে কিছু তথ্যগত অসংগতি রয়েছে দাবি করে প্রতিবাদ ও সঠিক তথ্য প্রকাশের অনুরোধ জানিয়েছেন আলোকদিয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের ফার্মাসিস্ট মাহমুদুল হাসান। তাঁর লিখিত আবেদনে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা উজ্জ্বল বৈরাগীও স্বাক্ষর করেছেন।
লিখিত আবেদনে বলা হয়েছে, প্রকাশিত প্রতিবেদনে গণশুনানিতে স্থানীয় কয়েকজন সেবাগ্রহীতার পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীদের নিয়মিত কর্মস্থলে উপস্থিত না থাকার অভিযোগের বিষয়টি এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যাতে মনে হয় আলোকদিয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের কর্মীরা নিয়মিত কর্মস্থলে উপস্থিত থাকেন না।
আবেদনে আরও বলা হয়, ওই কেন্দ্রে স্বাস্থ্য বিভাগ (Health) ও পরিবার পরিকল্পনা (Family Planning)—দুটি পৃথক সেবা কার্যক্রম ও জনবল কাঠামো রয়েছে। ফলে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগকে পুরো কেন্দ্রের কর্মীদের অনিয়মিত উপস্থিতি হিসেবে উল্লেখ করা হলে প্রকৃত চিত্র যথাযথভাবে উপস্থাপিত হয় না। এতে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের নিয়মিত দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হন।
আবেদনকারীদের মতে, গণশুনানিতে যে নির্দিষ্ট বিভাগের কর্মীদের বিষয়ে অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে, প্রতিবেদনে তা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা প্রয়োজন ছিল। তাই প্রকাশিত প্রতিবেদনের সংশ্লিষ্ট অংশ সংশোধন করে প্রকৃত তথ্য প্রকাশের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদকের বক্তব্য:
২৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত গণশুনানি কর্মসূচি সম্পর্কে টিআইবি সনাক, মধুপুর কার্যালয়ের এরিয়া কো-অর্ডিনেটর জিনিয়া গ্লোরিয়া ম্রংয়ের পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তির তথ্যের ভিত্তিতেই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে কোনো তথ্যগত বিভ্রাট হয়ে থাকলে তা ইচ্ছাকৃত নয়।