এলাকায় চরম আতঙ্ক
মধুপুরে পাগল কুকুরের কামড়ে ১৯ জন আহত, ভ্যাকসিন সংকটে জটিল পরিস্থিতি
- আপডেট সময় : ০৯:৩৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ৮০ বার পড়া হয়েছে

মধুপুর উপজেলায় একটি পাগল কুকুরের ধারাবাহিক কামড়ে অন্তত ১৯ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সন্ধ্যার পর অনেকেই লাঠি হাতে বাইরে চলাচল করছেন।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মাগরিব নামাজ আদায় শেষে বাসায় ফেরার পথে মধুপুর শহীদ স্মৃতি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যক্ষ বজলুর রশিদ খানকে হঠাৎ আক্রমণ করে পাগল কুকুরটি। কুকুরের কামড়ে তিনি আহত হন।
এছাড়া পৌর এলাকার দামপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী জাহিদের মেয়ে ইয়াসমিন টিফিন শেষে পুনরায় স্কুলে ফেরার পথে ওই কুকুরের কামড়ে আহত হয়। তার হাতে গুরুতর জখম হয়েছে।
বিকেলে মধুপুর উপজেলার বোয়ালী গ্রামে মৃত গাজিবুর রহমানের ছেলে জালাল উদ্দিন (৭০) এবং মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে গণি মিয়া (২৫) কুকুরটির কামড়ে আহত হন। একই গ্রামের তামিম, শামসুন্নাহার (৬০), আইরিন (৩), হাসান (৪৫), বেলচুঙ্গি গ্রামের আব্দুল হামিদ এবং মধুপুর পৌর শহরের আয়নাল (২৮)–সহ আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
মধুপুর উপজেলা এনসিপির সমন্বয়ক সবুজ মিয়া জানান, বিকেলে তার বাবা জালাল উদ্দিন কুকুরের কামড়ে আহত হয়েছেন। তিনি বলেন, “এলাকায় অন্তত ১৯ জনকে একই কুকুর কামড়েছে। পুরো এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিষয়টি প্রশাসনকে জানিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।”
এদিকে মধুপুর উপজেলা ১০০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. সজীব পাল জানান, গত এক মাস আগে কুকুরের রেবিস ভ্যাকসিন শেষ হয়ে যাওয়ার পর নতুন করে আর সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। উৎপাদন সংকটের কারণে ভ্যাকসিন সরবরাহ বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, প্রাইভেট সেক্টরেও ভ্যাকসিনের সরবরাহ খুবই কম, যা একটি জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
এ ঘটনায় এলাকাবাসী দ্রুত কুকুরটি নিয়ন্ত্রণ, আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করা এবং ভ্যাকসিন সরবরাহ স্বাভাবিক করার জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।












