ঢাকা ০৪:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মধুপুরে গারোদের ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তির প্রতিশ্রুতি দিলেন ডা. কাফি

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট শালবনবার্তা২৪.কম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৪:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ৫১৪ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইলের মধুপুরে বনাঞ্চলের ক্ষুদ্র- নৃতাত্বিক জনগোষ্ঠির গারো সম্প্রদায়ের দীর্ঘ দিনের দাবি ভূমি বিরোধ নিরসনের কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম মনোনীত এমপি প্রার্থী ডা. আব্দুল্লাহেল কাফি।

৪ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে মধুপুর বনাঞ্চলের পীরগাছা গারো হিন্দু সম্প্রদায়ের লীলা কীর্তনে এই প্রতিশ্রুতি দেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা জামায়াতে ইসলামীর যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক বোরহানুল কবির, মধুপুর উপজেলা এনসিপি’র প্রধান সমন্বয়কারী মো. সবুজ মিয়া, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক রেজুয়ানুল ইলসাম, পৌর জামায়াত, ইউনিয়ন জামায়াত, জামায়াতের যুব বিভাগ ও ছাত্র শিবিরের নের্তৃবৃন্দ।

ডা. কাফি বলেন, আমি যদি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে পারি আমার কাজ হবে মধুপুর বনাঞ্চলের গারো সম্প্রদায়ের নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষার জন্য একটি কার্লচারাল ইন্সটিটিউট স্থাপন করা। এছাড়া মধুপুর সমতলের গারো সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় সমস্যা ভূমির বিরোধ নিরোসনের জন্য পৃথক ভূমি কমিশন গঠনের প্রতিশ্রুতি দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মধুপুরে গারোদের ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তির প্রতিশ্রুতি দিলেন ডা. কাফি

আপডেট সময় : ০৪:৪৪:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

টাঙ্গাইলের মধুপুরে বনাঞ্চলের ক্ষুদ্র- নৃতাত্বিক জনগোষ্ঠির গারো সম্প্রদায়ের দীর্ঘ দিনের দাবি ভূমি বিরোধ নিরসনের কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম মনোনীত এমপি প্রার্থী ডা. আব্দুল্লাহেল কাফি।

৪ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে মধুপুর বনাঞ্চলের পীরগাছা গারো হিন্দু সম্প্রদায়ের লীলা কীর্তনে এই প্রতিশ্রুতি দেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা জামায়াতে ইসলামীর যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক বোরহানুল কবির, মধুপুর উপজেলা এনসিপি’র প্রধান সমন্বয়কারী মো. সবুজ মিয়া, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক রেজুয়ানুল ইলসাম, পৌর জামায়াত, ইউনিয়ন জামায়াত, জামায়াতের যুব বিভাগ ও ছাত্র শিবিরের নের্তৃবৃন্দ।

ডা. কাফি বলেন, আমি যদি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে পারি আমার কাজ হবে মধুপুর বনাঞ্চলের গারো সম্প্রদায়ের নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষার জন্য একটি কার্লচারাল ইন্সটিটিউট স্থাপন করা। এছাড়া মধুপুর সমতলের গারো সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় সমস্যা ভূমির বিরোধ নিরোসনের জন্য পৃথক ভূমি কমিশন গঠনের প্রতিশ্রুতি দেন।