ঢাকা ০৭:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মৃত্যু নিয়ে রহস্য

মধুপুরে ঘর থেকে ১১ বছরের শিশুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

মধুপুর করেসপন্ডন্ট, শালবনবার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
  • আপডেট সময় : ০৭:২৯:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ৮২ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌরসভার হাসপাতালপাড়া এলাকায় বাড়ির একটি ঘর থেকে ইয়াসিন (১১) নামের এক শিশুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার (১১ অক্টোবর) বিকেলে মধুপুর থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। ইয়াসিন ওই এলাকার বাসিন্দা অটোচালক মঞ্জু মিয়ার ছেলে।তার মৃত্যু নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে রহস্য।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মোবাইল ফোন ব্যবহার নিয়ে সৎমায়ের সঙ্গে ইয়াসিনের মনোমালিন্য হয়। একপর্যায়ে সে সবার অগোচরে পাশের একটি ঘরে চলে যায়। পরে দুপুরের খাবারের সময় তাকে খোঁজাখুঁজি করতে গিয়ে ঘরের ভেতরে সো কেসের উপরে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
এলাকাবাসীদের অনেকের মধ্যে ইয়াসিনের মৃত্যু নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এ ঘটনা ‘আত্নহত্যা’ বলতে তারা নারাজ। তাদের দাবি, সঠিক তদন্তের।

এদিকে ইয়াসিনের বাবা মঞ্জু জানান, প্রথম স্ত্রী চলে যাওয়ার পর গত নয় মাস আগে রূপা নামের এক নারীকে বিয়ে করেন। ছোট সন্তানকে আগের স্ত্রী মায়ের কাছে রেখে অন্যত্র চলে গেছে। দ্বিতীয় স্ত্রী তার দ্বিতীয় সন্তান ইয়াসিনকে নিয়ে সংসার। এক মামার বাসায় তার পরিবার নিয়ে মঞ্জু বসবাস করছেন। ইয়াসিনের সাথে তার দ্বিতীয় স্ত্রীর সম্পর্ক স্বাভাবিক ছিল বলে জানান।

আইও এসআই জিয়াউল জানান, প্রাথমিক ধারণায় আত্নহত্যা বলেই মনে হচ্ছে। ময়না তদন্তের পর সঠিক তথ্য বলা যাবে। সকালে মর্গে যাবে ইয়াসিনের লাশ।আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মৃত্যু নিয়ে রহস্য

মধুপুরে ঘর থেকে ১১ বছরের শিশুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৭:২৯:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌরসভার হাসপাতালপাড়া এলাকায় বাড়ির একটি ঘর থেকে ইয়াসিন (১১) নামের এক শিশুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার (১১ অক্টোবর) বিকেলে মধুপুর থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। ইয়াসিন ওই এলাকার বাসিন্দা অটোচালক মঞ্জু মিয়ার ছেলে।তার মৃত্যু নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে রহস্য।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মোবাইল ফোন ব্যবহার নিয়ে সৎমায়ের সঙ্গে ইয়াসিনের মনোমালিন্য হয়। একপর্যায়ে সে সবার অগোচরে পাশের একটি ঘরে চলে যায়। পরে দুপুরের খাবারের সময় তাকে খোঁজাখুঁজি করতে গিয়ে ঘরের ভেতরে সো কেসের উপরে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
এলাকাবাসীদের অনেকের মধ্যে ইয়াসিনের মৃত্যু নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এ ঘটনা ‘আত্নহত্যা’ বলতে তারা নারাজ। তাদের দাবি, সঠিক তদন্তের।

এদিকে ইয়াসিনের বাবা মঞ্জু জানান, প্রথম স্ত্রী চলে যাওয়ার পর গত নয় মাস আগে রূপা নামের এক নারীকে বিয়ে করেন। ছোট সন্তানকে আগের স্ত্রী মায়ের কাছে রেখে অন্যত্র চলে গেছে। দ্বিতীয় স্ত্রী তার দ্বিতীয় সন্তান ইয়াসিনকে নিয়ে সংসার। এক মামার বাসায় তার পরিবার নিয়ে মঞ্জু বসবাস করছেন। ইয়াসিনের সাথে তার দ্বিতীয় স্ত্রীর সম্পর্ক স্বাভাবিক ছিল বলে জানান।

আইও এসআই জিয়াউল জানান, প্রাথমিক ধারণায় আত্নহত্যা বলেই মনে হচ্ছে। ময়না তদন্তের পর সঠিক তথ্য বলা যাবে। সকালে মর্গে যাবে ইয়াসিনের লাশ।আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।