ঢাকা ০২:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মধুপুরে দুই শিশু বলৎকার চেষ্টার অভিযোগে মোয়াজ্জিনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

মধুপুর করেসপন্ডন্ট, শালবনবার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৭:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬ ২৮ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইলের মধুপুরে ৬-৭ বছর বয়সী দুই শিশুকে বলৎকার চেষ্টা মামলায় মসজিদের এক মোয়াজ্জিনকে গ্রেফতার করেছে মধুপুর থানা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত মোয়াজ্জিনের নাম হাফেজ আবু রাশেদ (৩৫)। সে উপজেলার আউশনারা ইউনিয়নের মোটের বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের মোয়াজ্জিন।

৫ জুন শুক্রবার রাতে আটক করে। ৬ জুন শনিবার তাকে টাঙ্গাইল কোর্ট প্রেরণ করে পুলিশ।
অভিযুক্ত হাফেজ আবু রাশেদ ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলার বইলাজান গ্রামের মো. আবুল কাশেমের ছেলে। এ ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ৫ জুন শুক্রবার ভুক্তভোগী ওই দুই ছেলেকে জুমার নামাজের জন্য মসজিদে যেতে বলে তার মা বাবা। নামাজে যেতে অনিহা দেখায় দুই শিশু। শিশুদ্বয় তাদের পরিবারের কাছে জানায়, মসজিদে গেলে হুজুর তাদের প্যান্ট খোলে। বলৎকার করার চেষ্টা করে। এমন খবর শোনার পর শিশুদ্বয়ের পরিবার স্থানীয় গণ্যমান্য লোকজনদের জানান।

পরে বিষয়টি নিয়ে গেল শুক্রবার সন্ধ্যার পর মোটের বাজার বনিক সমিতিতে শালিসি বৈঠক বসলে স্থানীয়রা উত্তেজিত হয়ে উঠে। স্থানীয়রা মধুপুর থানা পুলিশকে খবর দিলে অভিযক্তু মোয়াজ্জিন কে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এসব তথ্য স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে।

আউশনারা মোটের বাজার এলাকার সীমা আক্তার (৪০) জানান, মোটের বাজারে মধ্যেই জামে মসজিদ। মসজিদের পাশেই ঔ শিশুদের বাসা। এ মসজিদেই ওই শিশু দুটি নামাজে যায়। শিশু দুটিকে মাঝে মধ্যেই মোয়াজ্জিন তার দোতলায় তার রুমে ডেকে নিয়ে যেত। তার রুমে শিশু দুটিকে প্যান্ট খুলে বলৎকার করার চেষ্টা করে। পরে শিশুরা তাদের পরিবারকে বিষয়টি জানায়।

এ ঘটনার পর থেকে তারা আর ঐ নামাজে যেতে চায় না। বিষয়টি জানাজানি হলে চার দিকে হৈচৈ পড়ে যায়। পরে সন্ধ্যায় স্থানীয় বাজারে বনিক সমিতিতে বৈঠক বসে পুলিশ কে জানান। পরে পুলিশ এসে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। তিনি এর সুষ্ঠু তদন্ত করে উচিত বিচার দাবি করেন।

মধুপুর থানার অফিসার্স ইনচার্জ একেএম ফজলুল হক বলেন, অভিযুক্ত মোয়াজ্জিনকে আটকে রেখে থানা পুলিশ কে স্থানীয় জানায়। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এ ব্যাপারে থানায় মামলা হয়েছে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে টাঙ্গাইল কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মধুপুরে দুই শিশু বলৎকার চেষ্টার অভিযোগে মোয়াজ্জিনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

আপডেট সময় : ১০:৫৭:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

টাঙ্গাইলের মধুপুরে ৬-৭ বছর বয়সী দুই শিশুকে বলৎকার চেষ্টা মামলায় মসজিদের এক মোয়াজ্জিনকে গ্রেফতার করেছে মধুপুর থানা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত মোয়াজ্জিনের নাম হাফেজ আবু রাশেদ (৩৫)। সে উপজেলার আউশনারা ইউনিয়নের মোটের বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের মোয়াজ্জিন।

৫ জুন শুক্রবার রাতে আটক করে। ৬ জুন শনিবার তাকে টাঙ্গাইল কোর্ট প্রেরণ করে পুলিশ।
অভিযুক্ত হাফেজ আবু রাশেদ ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলার বইলাজান গ্রামের মো. আবুল কাশেমের ছেলে। এ ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ৫ জুন শুক্রবার ভুক্তভোগী ওই দুই ছেলেকে জুমার নামাজের জন্য মসজিদে যেতে বলে তার মা বাবা। নামাজে যেতে অনিহা দেখায় দুই শিশু। শিশুদ্বয় তাদের পরিবারের কাছে জানায়, মসজিদে গেলে হুজুর তাদের প্যান্ট খোলে। বলৎকার করার চেষ্টা করে। এমন খবর শোনার পর শিশুদ্বয়ের পরিবার স্থানীয় গণ্যমান্য লোকজনদের জানান।

পরে বিষয়টি নিয়ে গেল শুক্রবার সন্ধ্যার পর মোটের বাজার বনিক সমিতিতে শালিসি বৈঠক বসলে স্থানীয়রা উত্তেজিত হয়ে উঠে। স্থানীয়রা মধুপুর থানা পুলিশকে খবর দিলে অভিযক্তু মোয়াজ্জিন কে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এসব তথ্য স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে।

আউশনারা মোটের বাজার এলাকার সীমা আক্তার (৪০) জানান, মোটের বাজারে মধ্যেই জামে মসজিদ। মসজিদের পাশেই ঔ শিশুদের বাসা। এ মসজিদেই ওই শিশু দুটি নামাজে যায়। শিশু দুটিকে মাঝে মধ্যেই মোয়াজ্জিন তার দোতলায় তার রুমে ডেকে নিয়ে যেত। তার রুমে শিশু দুটিকে প্যান্ট খুলে বলৎকার করার চেষ্টা করে। পরে শিশুরা তাদের পরিবারকে বিষয়টি জানায়।

এ ঘটনার পর থেকে তারা আর ঐ নামাজে যেতে চায় না। বিষয়টি জানাজানি হলে চার দিকে হৈচৈ পড়ে যায়। পরে সন্ধ্যায় স্থানীয় বাজারে বনিক সমিতিতে বৈঠক বসে পুলিশ কে জানান। পরে পুলিশ এসে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। তিনি এর সুষ্ঠু তদন্ত করে উচিত বিচার দাবি করেন।

মধুপুর থানার অফিসার্স ইনচার্জ একেএম ফজলুল হক বলেন, অভিযুক্ত মোয়াজ্জিনকে আটকে রেখে থানা পুলিশ কে স্থানীয় জানায়। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এ ব্যাপারে থানায় মামলা হয়েছে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে টাঙ্গাইল কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।