মন্ত্রীর কর্মসূচিতে কর্মী সেজে চোরের দাপট, নেতাদের মোবাইল-মানিব্যাগ উধাও
- আপডেট সময় : ০৮:৪৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬ ৯৩ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে স্থানীয় সংসদ সদস্য, ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপনের একাধিক জনসভা ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিতে গিয়ে কর্মী সেজে আসা চোরচক্রের দৌরাত্ম্যে বিপাকে পড়েছেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বেশ কয়েকজন নেতা। জনতার ভিড়ের সুযোগে মুহূর্তের মধ্যে উধাও হয়ে গেছে তাদের মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ, নগদ টাকা ও ব্যাংক কার্ড। অনুষ্ঠান শেষে অনেকেই বুঝতে পারেন, পকেট আগেই খালি হয়ে গেছে।
শুক্রবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত ধনবাড়ী উপজেলার যদুনাথপুর ইউনিয়ন, ধনবাড়ী পৌর শহরের নবাব বাড়ি ঈদগাহ মাঠ, নবাব ইনস্টিটিউটের খেলার মাঠ এবং বাজার সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেকসহ একাধিক রাজনৈতিক ও উন্নয়নমূলক কর্মসূচি মন্ত্রীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয়। এসব কর্মসূচির শুরুতেই জনসমাগমের সুযোগ নিয়ে সংঘবদ্ধ চোরচক্র হাতসাফাই চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
একাধিক সূত্র মতে, ভুক্তভোগীদের মধ্যে রয়েছেন ধনবাড়ী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক (ভিপি)। তার মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ চুরি হয়েছে। এছাড়া উপজেলা বিএনপির সদস্য ও ধোপাখালী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান কামাল হোসেন তালুকদার মিন্টু, মধুপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মোতালিব হোসেন, ধনবাড়ী উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আলী আল শাফি রিমু, বিএনপি নেতা রাঙ্গা, পৌর যুবদল নেতা নাছির, ছাত্রদল নেতা ইসমাইলসহ আরও কয়েকজন নেতার মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ও ব্যাংক কার্ড খোয়া গেছে।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এনামুল হকের সঙ্গে তার মোবাইল নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরে জানা যায়, ফোনটিও চুরি হওয়া তালিকায় রয়েছে।
মধুপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মোতালিব হোসেন মোবাইল ও ব্যাংক কার্ড হারানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে তার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ খোয়া যাওয়ার বিষয়ে মন্তব্য করতে চাননি।
স্থানীয় নেতাদের দাবি, পরিকল্পিতভাবে একটি সংঘবদ্ধ চোরচক্র কর্মী সেজে জনসমাগমে ঢুকে পকেটমারির ঘটনা ঘটিয়েছে। তারা ভবিষ্যতে বড় রাজনৈতিক সমাবেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানান।
ধনবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুস সালাম সিদ্দিক বলেন, “এ পর্যন্ত একজন মোবাইল ফোন হারানোর ঘটনায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”











