প্রতারকের খপ্পরে পড়ার শঙ্কা পরিবারের
খালার বাড়ি যাওয়ার পথে নিখোঁজ শান্তা, ৭ দিনেও সন্ধান মেলেনি
- আপডেট সময় : ০৪:৫৫:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮১ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইলের মধুপুরে খালার বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে নানির বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর পাঁচ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন শান্তা আক্তার (১৮) নামের এক তরুণী। নিখোঁজের সাত দিন পরও তিনি খালার বাড়িতে পৌঁছাননি। এতে প্রতারকের খপ্পরে পড়ার আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে পরিবার।
ঘটনার পর মুঠোফোনে মায়ের সঙ্গে শান্তার শেষ কথা হয়। এরপর থেকে তাঁর ব্যবহৃত মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। এ ঘটনায় শান্তার মা নার্গিস আক্তার মধুপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁকে উদ্ধারে চেষ্টা চলছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে মধুপুর উপজেলার অরণখোলা ইউনিয়নের ভুটিয়া এলাকায় নানির বাড়ি থেকে পাশেই আমলীতলা এলাকায় খালার বাড়ির উদ্দেশে বের হন শান্তা। প্রায় আধা ঘণ্টা পর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মুঠোফোনে মায়ের সঙ্গে তাঁর কথা হয়। এরপর সকাল ১১টার পর একাধিকবার ফোন করা হলেও শান্তা আর ফোন ধরেননি।
পরে পরিবারের সদস্যরা খালার বাড়িসহ আত্মীয়স্বজনের বাড়ি এবং সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। তবে কোথাও তাঁর সন্ধান পাওয়া যায়নি।
শান্তার বাবা ছাবেদ আলী ও মা নার্গিস আক্তার ঢাকায় গার্মেন্টসে চাকরি করেন। তাঁদের ছেলে-মেয়ে মধুপুরের ভুটিয়া গ্রামে নানির কাছে থাকেন বলে জানিয়েছে পরিবার।
শান্তার বাবা ছাবেদ আলী বলেন, ‘আমি ও আমার স্ত্রী দুজনই ঢাকায় চাকরি করি। ছেলে-মেয়ে নানির কাছে থাকে। হঠাৎ শান্তার সন্ধান না পাওয়ায় আমরা খুবই দুশ্চিন্তায় আছি।
শান্তার নানি মমতা বেগম বলেন, শান্তা নিয়মিত মুঠোফোনে এক নারীর সঙ্গে কথা বলতেন। ওই নারীকে তিনি বান্ধবী হিসেবে পরিচয় দিতেন। পরিবারের দাবি, তাঁদের কাছে থাকা একটি কথোপকথনের ভয়েস রেকর্ডে শান্তাকে ওই নারীর সঙ্গে চুয়াডাঙ্গায় যাওয়ার বিষয়ে কথা বলতে শোনা গেছে।
মধুপুর থানার এসআই আমিনুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। নিখোঁজ তরুণীকে উদ্ধারে পুলিশ গুরুত্বসহকারে চেষ্টা চালাচ্ছে।
পাঁচ দিনেও শান্তার সন্ধান না পাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে পরিবারের। তাঁর স্থায়ী ঠিকানা মধুপুর উপজেলার আউশনারা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের গোপীনাথপুর গ্রামে।
















