ঢাকা ০২:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজধানীর গুলশান থেকে তরুণীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

স্টাফ করেসপন্ডন্ট, শালবনবার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
  • আপডেট সময় : ০৭:২৮:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ১৬৬ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর গুলশান কালাচাঁদপুর এলাকার একটি বাসা থেকে সাদিয়া রহমান মীম (২৭) নামের এক তরুণীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সাদিয়া একটি পারলারে ও বারে কাজ করতেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গতকাল শনিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে গুলশান পশ্চিম কালাচাঁদপুরের একটি বাড়ির দ্বিতীয় তলা থেকে ওই তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়।

গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মারুফ হাসান জানান, মীমের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ী উপজেলায়। তিনি পশ্চিম কালাচাঁদপুরে একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং পারলারের পাশাপাশি একটি বারেও কাজ করতেন। তাঁর দুবার বিয়ে হয়েছিল বলে জানা গেছে।

এসআই মারুফ বলেন, প্রথম স্বামীর সঙ্গে অনেক আগেই মীমের ছাড়াছাড়ি হয়েছে। ওই সংসারে তাঁর এক কন্যাসন্তান আছে, সে তার নানির সঙ্গে থাকে। দ্বিতীয় স্বামীর সঙ্গে আট মাস আগে বিবাহবিচ্ছেদ হয় তাঁর। কালাচাঁদপুরের ওই বাসায় মীমের সঙ্গে নুসরাত নামের আরেক তরুণী থাকেন। তবে নুসরাতের দাবি, ঘটনার সময় তিনি গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুরে ছিলেন।

এসআই মো. মারুফ হাসান আরও জানান, গত শুক্রবার মীমের বোন সাদিয়া আক্তারের সঙ্গে সর্বশেষ কথা হয়। এর পর থেকে মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। গতকাল বিকেলে মীমের বড় বোন সাদিয়া আক্তার কালাচাঁদপুরে বাসায় এসে বাইরে থেকে তালাবদ্ধ দেখতে পান। এরপর তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে মীমের গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান। পরে থানা-পুলিশকে বিষয়টি জানান সাদিয়া। মীমের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

রাজধানীর গুলশান থেকে তরুণীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৭:২৮:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬

রাজধানীর গুলশান কালাচাঁদপুর এলাকার একটি বাসা থেকে সাদিয়া রহমান মীম (২৭) নামের এক তরুণীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সাদিয়া একটি পারলারে ও বারে কাজ করতেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গতকাল শনিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে গুলশান পশ্চিম কালাচাঁদপুরের একটি বাড়ির দ্বিতীয় তলা থেকে ওই তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়।

গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মারুফ হাসান জানান, মীমের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ী উপজেলায়। তিনি পশ্চিম কালাচাঁদপুরে একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং পারলারের পাশাপাশি একটি বারেও কাজ করতেন। তাঁর দুবার বিয়ে হয়েছিল বলে জানা গেছে।

এসআই মারুফ বলেন, প্রথম স্বামীর সঙ্গে অনেক আগেই মীমের ছাড়াছাড়ি হয়েছে। ওই সংসারে তাঁর এক কন্যাসন্তান আছে, সে তার নানির সঙ্গে থাকে। দ্বিতীয় স্বামীর সঙ্গে আট মাস আগে বিবাহবিচ্ছেদ হয় তাঁর। কালাচাঁদপুরের ওই বাসায় মীমের সঙ্গে নুসরাত নামের আরেক তরুণী থাকেন। তবে নুসরাতের দাবি, ঘটনার সময় তিনি গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুরে ছিলেন।

এসআই মো. মারুফ হাসান আরও জানান, গত শুক্রবার মীমের বোন সাদিয়া আক্তারের সঙ্গে সর্বশেষ কথা হয়। এর পর থেকে মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। গতকাল বিকেলে মীমের বড় বোন সাদিয়া আক্তার কালাচাঁদপুরে বাসায় এসে বাইরে থেকে তালাবদ্ধ দেখতে পান। এরপর তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে মীমের গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান। পরে থানা-পুলিশকে বিষয়টি জানান সাদিয়া। মীমের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে।