বাড়ির দরজায় কম্বল

- আপডেট সময় : ১১:০৪:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ৮৪ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইল শহরের বেপারি পাড়ার বস্তী এলাকায় ফাহিমা খাতুন(৫২)। শনিবার রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত ঠিক সাড়ে ১১ টার দিকে কে যেন তার দরজায় কড়া নাড়ছে। ভয়ে সে অনেকটায় জড়োসড়। রাতে কেউ তাকে ডাকার কথা নয়। তারপরও শীতের রাতে অনেকটায় আতঙ্ক নিয়ে বিছানা ছেড়ে দরজা খুলেই সে হতবাক। তার সামনে গায়ে সাদা চাদর জড়িয়ে মানুষ দাঁড়িয়ে আছে। হাতে রয়েছে কম্বল। সে প্রথমে চিনতে পারেনি।টানা টানা কন্ঠে বলে উঠলো কে আপনি।
সাথে সাথে বলে উঠলেন আমি আপনাদের সন্তান ফরহাদ ইকবাল ।আপনি রাতে শীতে কষ্ট করেন তাই আপনাকে শীতের কম্বল দিতে আসলাম। কথা শুনে তিনি খুশিতে আত্মহারা হয়ে উঠলেন হতভাগা অসহায় এই নারী ।
শুধু ফাহিমাই নয়, টাঙ্গাইলের পৌর এলাকায় শত বর্ষ বয়সী হালিমা,জেবু রহিমা সহ অসহায় হতদরিদ্র প্রতিবন্ধী ও ভিক্ষুকসহ আরো অনেকই অসহায় ব্যাক্তিদের প্রতিদিন তাদের কাছে গিয়ে কম্বল দিচ্ছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল ।
ফরহাদ ইকবাল বলেন, আমি যেদিন থেকে জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছি সেদিন থেকেই বিএনপি’র তারুণ্যের অহংকার তারেক জিয়ার নির্দেশে আমি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছি। যে আমার সদর উপজেলায় অসহায় গরিব মানুষ যাতে কোন রকম কষ্ট না করে সেদিকে খেয়াল রাখা ।
তাই আমি এই শীতে ১২টি ইউনিয়নে অসহায়দের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে নিজের হাতে কম্বল গায়ে জড়িয়ে দিয়েছি শীতার্তদের মাঝে।
তিনি আরো বলেন, রাস্তার পাশে, প্রত্যন্ত গ্রামের প্রকৃত অসহায় ও শীতার্ত মানুষদের খুঁজে খুঁজে কম্বল দিয়েছি।
এ সময় তাদের দুঃখ দুর্দশার কথাও শোনেছি। তিনি আরও বলেন, এই শীতে গরিব, দুঃখী মানুষ খুব অসহায়। সবার উচিত এসব অসহায়, দুস্থ ও দরিদ্রদের পাশে এসে দাঁড়ানো।
শালবনবার্তা২৪.কম/এসআই