ঢাকা ০৬:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে পাহাড়ি ঢলে বাড়ছে নদীর পানি, আকস্মিক বন্যার শঙ্কা

শেরপুর করেসপন্ডেন্ট শালবনবার্তা২৪.কম
  • আপডেট সময় : ০৫:২২:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মে ২০২৫ ৩৪৫ বার পড়া হয়েছে

ভারতের মেঘালয় ও আসামে ভারী বর্ষণের ফলে শেরপুরে নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। এ ছাড়া গত তিন দিন জেলার বিভিন্ন স্থানে থেমে থেমে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে কয়েকটি নদীর পানি বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই। এ অবস্থায় আকস্মিক বন্যার শঙ্কায় রয়েছেন এলাকাবাসী।

সোমেশ্বরী নদীর পানি বেড়ে নির্মাণাধীন চাপাতলী সেতুর পার্শ্ববর্তী নিম্নাঞ্চলে প্রবেশ করেছে। এতে আশপাশের কয়েকটি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সোমবার (১৯ মে) বিকেল ৪টায় শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভোগাই নদীর পানি বিপদসীমার ৩১৫ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে এবং চেল্লাখালী নদীর পানি বিপদসীমার ২৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর এক সতর্কবার্তায় জানিয়েছে, ২০ মে পর্যন্ত নিম্নাঞ্চলগুলো সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে। যার প্রভাবে জনজীবন ব্যাহত ও কৃষিখাতে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

জেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, যেসব এলাকায় ধান ৮০ শতাংশের বেশি পেকে গেছে, সেগুলো দ্রুত কেটে উঁচু জায়গায় সংরক্ষণের জন্য কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, বন্যা মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মাইকিং শুরু হয়েছে।

ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম রাসেল বলেন, বৃষ্টি বেশি হওয়ায় পানি কিছুটা বেড়েছে। তবে এখনো পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি।

 

শালবনবার্তা২৪.কম/এআর

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

শেরপুরে পাহাড়ি ঢলে বাড়ছে নদীর পানি, আকস্মিক বন্যার শঙ্কা

আপডেট সময় : ০৫:২২:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মে ২০২৫

ভারতের মেঘালয় ও আসামে ভারী বর্ষণের ফলে শেরপুরে নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। এ ছাড়া গত তিন দিন জেলার বিভিন্ন স্থানে থেমে থেমে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে কয়েকটি নদীর পানি বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই। এ অবস্থায় আকস্মিক বন্যার শঙ্কায় রয়েছেন এলাকাবাসী।

সোমেশ্বরী নদীর পানি বেড়ে নির্মাণাধীন চাপাতলী সেতুর পার্শ্ববর্তী নিম্নাঞ্চলে প্রবেশ করেছে। এতে আশপাশের কয়েকটি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সোমবার (১৯ মে) বিকেল ৪টায় শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভোগাই নদীর পানি বিপদসীমার ৩১৫ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে এবং চেল্লাখালী নদীর পানি বিপদসীমার ২৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর এক সতর্কবার্তায় জানিয়েছে, ২০ মে পর্যন্ত নিম্নাঞ্চলগুলো সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে। যার প্রভাবে জনজীবন ব্যাহত ও কৃষিখাতে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

জেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, যেসব এলাকায় ধান ৮০ শতাংশের বেশি পেকে গেছে, সেগুলো দ্রুত কেটে উঁচু জায়গায় সংরক্ষণের জন্য কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, বন্যা মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মাইকিং শুরু হয়েছে।

ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম রাসেল বলেন, বৃষ্টি বেশি হওয়ায় পানি কিছুটা বেড়েছে। তবে এখনো পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি।

 

শালবনবার্তা২৪.কম/এআর