ধর্ষণের ঘটনায় অন্তঃসত্ত্বা;
সন্তান জন্মের পর অস্বীকার-প্রধান আসামি গ্রেফতার
- আপডেট সময় : ১২:১৮:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ৫১ বার পড়া হয়েছে

ধর্ষণের ঘটনায় অন্তঃসত্ত্বা; সন্তান জন্মের পর অস্বীকার-প্রধান আসামি গ্রেফতার
মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:
ধর্ষণের ফলে এক তরুণী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়া এবং পরবর্তীতে সন্তান জন্মের পর স্ত্রী ও সন্তানের পরিচয় অস্বীকারের অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি মোঃ খাইরুল ইসলাম (২৩) কে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
র্যাব-১৪ এর সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল ক্যাম্প সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টাঙ্গাইলের কালিহাতি উপজেলার বর্গা বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ধর্ষণ মামলার পলাতক প্রধান আসামি খাইরুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। তার বাড়ি দিনাজপুর জেলায়।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, খাইরুল ইসলামের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সেই সূত্রে তাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ও দেখা-সাক্ষাৎ হতো। একপর্যায়ে ২০২৫ সালের ৩১ জানুয়ারি রাতে ভুক্তভোগীর পরিবারের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে আসামি তার বাড়িতে প্রবেশ করে। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ রয়েছে।
পরবর্তীতে ওই ঘটনার ফলে ভুক্তভোগী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। বিষয়টি পরিবারের নজরে এলে আসামি একটি ভুয়া কাবিননামার মাধ্যমে বিয়ের নাটক সাজায়। এরই মধ্যে ভুক্তভোগী একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। কিন্তু সন্তান জন্মের পর থেকেই আসামি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে এবং স্ত্রী ও সন্তানকে অস্বীকার করে আত্মগোপনে চলে যায়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী দিনাজপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি পিটিশন মামলা দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশে দিনাজপুরের খানসামা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০২০) এর ৯(১) ধারায় ২০২৬ সালের ৩ মার্চ মামলা রুজু হয়।
মামলা দায়েরের পর থেকে আসামি পলাতক থাকলেও, অবশেষে র্যাবের অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়।
র্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট থানার তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।





















