ঢাকা ০১:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

জাতীয় দিবসের বাণীতে সেনাপ্রধান

সার্বভৌমত্ব-স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রাখতে সবসময় প্রস্তুত সেনাবাহিনী

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট শালবনবার্তা২৪.কম
  • আপডেট সময় : ০৭:০০:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ মার্চ ২০২৫ ৪৮ বার পড়া হয়েছে

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, সশস্ত্র বাহিনী দেশের গর্ব ও আস্থার প্রতীক। দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রাখতে সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের জন্য সদা প্রস্তুত রয়েছে। 

২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে দেওয়া বাণীতে এসব কথা বলেন সেনাপ্রধান।

ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, আজ ২৬শে মার্চ, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। আমাদের জাতীয় জীবনে এই দিনটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য অপরিসীম। ১৯৭১ সালের এই দিনে এ দেশের মুক্তিকামী আপামর জনতা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশমাতৃকাকে পরাধীনতার শৃঙ্খলমুক্ত করার লক্ষ্যে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।

তিনি বলেন, দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত হয় আমাদের চূড়ান্ত বিজয় এবং বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্থান করে নেয় আমাদের প্রাণপ্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ। এ কারণেই ২৬শে মার্চ আমাদের জাতীয় জীবনে গৌরব ও অনুপ্রেরণার চিরন্তন উৎস হয়ে থাকবে।

সেনাবাহিনীর সব সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও প্রাণঢালা অভিনন্দন জানিয়ে সেনাপ্রধান বলেন, শুধু স্বাধীনতা যুদ্ধেই নয়, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়েও দেশের স্বার্থে দেশে এবং বিদেশে দায়িত্বরত অবস্থায় যারা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, আমি মহান আল্লাহ তায়ালার নিকট সব শহিদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী তথা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের গর্ব ও আস্থার প্রতীক। দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রাখার নিমিত্তে সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের জন্য সদা প্রস্তুত রয়েছে। স্বাধীনতার পরবর্তীতে সময়ের পরিক্রমায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আজ একটি দক্ষ, সুশৃঙ্খল ও সুসংগঠিত বাহিনীরূপে আত্মপ্রকাশ করেছে। দেশমাতৃকার প্রয়োজনে যে কোনো অর্পিত দায়িত্ব পালনে সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন ও সমর সক্ষমতা অর্জন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সেনাবাহিনীর সব সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও প্রাণঢালা অভিনন্দন জানিয়ে সেনাপ্রধান বলেন, শুধু স্বাধীনতা যুদ্ধেই নয়, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়েও দেশের স্বার্থে দেশে এবং বিদেশে দায়িত্বরত অবস্থায় যারা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, আমি মহান আল্লাহ তায়ালার নিকট সব শহিদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী তথা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের গর্ব ও আস্থার প্রতীক। দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রাখার নিমিত্তে সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের জন্য সদা প্রস্তুত রয়েছে। স্বাধীনতার পরবর্তীতে সময়ের পরিক্রমায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আজ একটি দক্ষ, সুশৃঙ্খল ও সুসংগঠিত বাহিনীরূপে আত্মপ্রকাশ করেছে। দেশমাতৃকার প্রয়োজনে যে কোনো অর্পিত দায়িত্ব পালনে সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন ও সমর সক্ষমতা অর্জন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

শালবনবার্তা২৪.কম/এআর

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জাতীয় দিবসের বাণীতে সেনাপ্রধান

সার্বভৌমত্ব-স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রাখতে সবসময় প্রস্তুত সেনাবাহিনী

আপডেট সময় : ০৭:০০:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ মার্চ ২০২৫

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, সশস্ত্র বাহিনী দেশের গর্ব ও আস্থার প্রতীক। দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রাখতে সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের জন্য সদা প্রস্তুত রয়েছে। 

২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে দেওয়া বাণীতে এসব কথা বলেন সেনাপ্রধান।

ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, আজ ২৬শে মার্চ, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। আমাদের জাতীয় জীবনে এই দিনটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য অপরিসীম। ১৯৭১ সালের এই দিনে এ দেশের মুক্তিকামী আপামর জনতা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশমাতৃকাকে পরাধীনতার শৃঙ্খলমুক্ত করার লক্ষ্যে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।

তিনি বলেন, দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত হয় আমাদের চূড়ান্ত বিজয় এবং বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্থান করে নেয় আমাদের প্রাণপ্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ। এ কারণেই ২৬শে মার্চ আমাদের জাতীয় জীবনে গৌরব ও অনুপ্রেরণার চিরন্তন উৎস হয়ে থাকবে।

সেনাবাহিনীর সব সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও প্রাণঢালা অভিনন্দন জানিয়ে সেনাপ্রধান বলেন, শুধু স্বাধীনতা যুদ্ধেই নয়, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়েও দেশের স্বার্থে দেশে এবং বিদেশে দায়িত্বরত অবস্থায় যারা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, আমি মহান আল্লাহ তায়ালার নিকট সব শহিদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী তথা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের গর্ব ও আস্থার প্রতীক। দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রাখার নিমিত্তে সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের জন্য সদা প্রস্তুত রয়েছে। স্বাধীনতার পরবর্তীতে সময়ের পরিক্রমায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আজ একটি দক্ষ, সুশৃঙ্খল ও সুসংগঠিত বাহিনীরূপে আত্মপ্রকাশ করেছে। দেশমাতৃকার প্রয়োজনে যে কোনো অর্পিত দায়িত্ব পালনে সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন ও সমর সক্ষমতা অর্জন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সেনাবাহিনীর সব সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও প্রাণঢালা অভিনন্দন জানিয়ে সেনাপ্রধান বলেন, শুধু স্বাধীনতা যুদ্ধেই নয়, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়েও দেশের স্বার্থে দেশে এবং বিদেশে দায়িত্বরত অবস্থায় যারা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, আমি মহান আল্লাহ তায়ালার নিকট সব শহিদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী তথা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের গর্ব ও আস্থার প্রতীক। দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রাখার নিমিত্তে সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের জন্য সদা প্রস্তুত রয়েছে। স্বাধীনতার পরবর্তীতে সময়ের পরিক্রমায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আজ একটি দক্ষ, সুশৃঙ্খল ও সুসংগঠিত বাহিনীরূপে আত্মপ্রকাশ করেছে। দেশমাতৃকার প্রয়োজনে যে কোনো অর্পিত দায়িত্ব পালনে সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন ও সমর সক্ষমতা অর্জন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

শালবনবার্তা২৪.কম/এআর