ঢাকা ০২:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আদিবাসী ও প্রান্তিক নারীদের অধিকার রক্ষায় প্রশাসনের মতবিনিময়

মধুপুর করেসপন্ডেন্ট শালবনবার্তাটোয়েন্টিফোরডটকম
  • আপডেট সময় : ১২:৫৬:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬ ৩১ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইলের মধুপুরে ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠি আদিবাসী ও প্রান্তিক নারীদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন এবং অধিকার সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে এক বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দলিত নারী ও কিশোরীদের অধিকার সুরক্ষা এবং মৌলিক পরিষেবা অভিগম্যতা বৃদ্ধিতে সহায়তা’ প্রকল্পের আওতায় এই সভার আয়োজন করা হয়।

১১ মার্চ (বুধবার) সকাল সাড়ে দশটায় নাগরিক উদ্যোগ এর বাস্তবায়নে এবং আচিক মিচিক সোসাইটি’র সহযোগিতায় আয়োজিত এই সভায় মধুপুর অঞ্চলের গারো ও কোচসহ অন্যান্য আদিবাসী এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নারীদের বর্তমান সংকট ও উত্তরণের পথ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানটিতে অর্থায়ন করেছে ফাউন্ডেশন ফর এ জাস্ট সোসাইটি (FJS)।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত থেকে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোস্তফা হোসাইন, এসময় বক্তব্য রাখেন মধুপুর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা সুমি, মধুপুর উপজেলা এবি খায়রুল ইসলাম, আচিক মিচির সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক সুলেখা ম্রং, কেন্দ্রীয় সদস্য মার্জিনা চিসিম, উপজেলা মহিলা দলের শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক পান্না আক্তার, সাংবাদিক মোঃ লিটন সরকার প্রমুখ।

সভায় প্রান্তিক ও দলিত জনগোষ্ঠীর নারীদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা এবং সরকারি সেবাগুলোতে তাদের সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বক্তারা নারীদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইনি ও সামাজিক সুরক্ষা পাওয়ার ক্ষেত্রে বিদ্যমান বাধাগুলো দূর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বলেন, সমাজ ও রাষ্ট্রের মূলধারায় দলিত ও প্রান্তিক নারীদের সম্পৃক্ত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। বিশেষ করে সরকারি বিভিন্ন ভাতা, প্রশিক্ষণ এবং আইনি সহায়তা প্রাপ্তিতে যেন কোনো নারী বৈষম্যের শিকার না হন, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।

সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং প্রকল্পের সুবিধাভোগী প্রান্তিক নারীরা অংশগ্রহণ করেন। তারা তাদের জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন দাবি ও সমস্যার কথা প্রশাসনের সামনে তুলে ধরেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!

আদিবাসী ও প্রান্তিক নারীদের অধিকার রক্ষায় প্রশাসনের মতবিনিময়

আপডেট সময় : ১২:৫৬:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

টাঙ্গাইলের মধুপুরে ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠি আদিবাসী ও প্রান্তিক নারীদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন এবং অধিকার সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে এক বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দলিত নারী ও কিশোরীদের অধিকার সুরক্ষা এবং মৌলিক পরিষেবা অভিগম্যতা বৃদ্ধিতে সহায়তা’ প্রকল্পের আওতায় এই সভার আয়োজন করা হয়।

১১ মার্চ (বুধবার) সকাল সাড়ে দশটায় নাগরিক উদ্যোগ এর বাস্তবায়নে এবং আচিক মিচিক সোসাইটি’র সহযোগিতায় আয়োজিত এই সভায় মধুপুর অঞ্চলের গারো ও কোচসহ অন্যান্য আদিবাসী এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নারীদের বর্তমান সংকট ও উত্তরণের পথ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানটিতে অর্থায়ন করেছে ফাউন্ডেশন ফর এ জাস্ট সোসাইটি (FJS)।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত থেকে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোস্তফা হোসাইন, এসময় বক্তব্য রাখেন মধুপুর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা সুমি, মধুপুর উপজেলা এবি খায়রুল ইসলাম, আচিক মিচির সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক সুলেখা ম্রং, কেন্দ্রীয় সদস্য মার্জিনা চিসিম, উপজেলা মহিলা দলের শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক পান্না আক্তার, সাংবাদিক মোঃ লিটন সরকার প্রমুখ।

সভায় প্রান্তিক ও দলিত জনগোষ্ঠীর নারীদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা এবং সরকারি সেবাগুলোতে তাদের সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বক্তারা নারীদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইনি ও সামাজিক সুরক্ষা পাওয়ার ক্ষেত্রে বিদ্যমান বাধাগুলো দূর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বলেন, সমাজ ও রাষ্ট্রের মূলধারায় দলিত ও প্রান্তিক নারীদের সম্পৃক্ত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। বিশেষ করে সরকারি বিভিন্ন ভাতা, প্রশিক্ষণ এবং আইনি সহায়তা প্রাপ্তিতে যেন কোনো নারী বৈষম্যের শিকার না হন, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।

সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং প্রকল্পের সুবিধাভোগী প্রান্তিক নারীরা অংশগ্রহণ করেন। তারা তাদের জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন দাবি ও সমস্যার কথা প্রশাসনের সামনে তুলে ধরেন।