মধুপুরে শিশু কে যৌন হয়রানির অভিযোগ: গ্রাম্য শালিসে মীমাংসা,
- আপডেট সময় : ০৭:১৫:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬ ৬৯ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইলের মধুপুরে ৭ বছরের এক শিশু যৌন নিপীড়নের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রাম্য শালিসের মাধ্যমে সামান্য শারীরিক শাস্তি দিয়ে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনা স্থানীয়ভাবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনাটি উপজেলার গোলাবাড়ী ইউনিয়নের সংগ্রাম শিমুল গ্রামে। অভিযোগ উঠেছে মধ্যপ্রাচ্য ফেরত আসাদুল ইসলাম (৩৮) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। তিনি ওই গ্রামের জনৈক দুদু শেখর ছেলে। ভুক্তভোগী শিশুটির পিতা একজন ভ্যানচালক। শিশু টি অভিযুক্তের ভাতিজার মেয়ে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, গত ৫/৭ দিন ধরে এলাকায় আসাদুলের বিরুদ্ধে শিশুটিকে ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে নানা প্রচার প্রপাকান্ড চলছিল। অভিযোগ ওঠে মধ্যপ্রাচ্য ফেরত আসাদুল তার ভাতিজার শিশু সন্তানকে শারীরিকভাবে হয়রানী করেছেন। শিশুটির সঙ্গে আপত্তিকর আচরণ করেছেন এমন তথ্যে গত প্রায় এক সপ্তাহ ধরে এ নিয়ে এলাকায় বিভিন্ন আলোচনা ও উত্তেজনা চলছিল, যার পরিণতিতে এই শালিস অনুষ্ঠিত হয়।
ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা উত্তেজনার এক পর্যায়ে অভিযোগের বিষয়ে মধুপুর থানায় মামলা করার চেষ্টা হয়। অজ্ঞাত কারণে তা শেষ পর্যন্ত দায়ের হয়নি।
পরে রবিবার বিকেলে স্থানীয়ভাবে একটি শালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই গ্রামের দক্ষিণ পাড়ার হোসেন আলী, টিয়া মতিসহ বেশ কয়েকজনের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে অভিযুক্তকে শারীরিকভাবে শাস্তি (চড়-থাপ্পড়) দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
মোবাইল ফোনে জিজ্ঞেস করলে হোসেন আলী শালিসের মাধ্যমে বিষয়টির মীমাংসার কথা স্বীকার করেন। তার ফোন থেকেই এসটিভি ৫২ নামের একটি টিভি চ্যানেলের টাঙ্গাইল জেলা প্রতনিধির পরিচয় দিয়ে আসাদুজ্জামান খালেক নামের একজন জানান, ধর্ষণের প্রমাণ মিলেনি।ঘটনাটি নিজেদের মধ্যে। তাই উভয় পক্ষের শান্তির জন্য অভিযোগ উঠার কারণে কঠিন শাস্তি দেয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম ফজলুল হক জানান, একটি শিশু ইভটিজিংয়ের অভিযোগ থানায় আসার কথা শুনেছি, তবে পরে আর কেউ অভিযোগ দেয়নি। এ ধরনের ঘটনা শালিসের মাধ্যমে মীমাংসা করার মতো নয়। আমরা থানায় অভিযোগ দিতে বলেছি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।











