সংবাদ শিরোনাম :
মধুপুর শালবনে ক্ষুধার্ত বন্যপ্রাণীর খাবার ব্যবস্থা করলেন জাকির হোসেন সরকার
“জীবে প্রেম করে যে জন, সেজন সেবিছে ঈশ্বর”- এই মানবিক চেতনা ধারণ করে মধুপুর শালবনের তৃষ্ণার্ত ও ক্ষুধার্ত বন্যপ্রাণীর পাশে দাঁড়িয়েছেন মধুপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাকির হোসেন সরকার। শনিবার (৭ মার্চ) বিকেলে
মধুপুর জাতীয় উদ্যানে গড়গড়িয়া লেক সংস্কার
টাঙ্গাইলের মধুপুর গড়ের জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং বন্যপ্রাণীর পানির সংকট নিরসনে ঐতিহাসিক গড়গড়িয়া লেক সংস্কারের কাজ পুরোদমে এগিয়ে চলছে। ‘শালবন পুনঃপ্রতিষ্ঠা প্রকল্প’-এর অধীনে গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে এই সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে। তবে
“মধুপুর জাতীয় উদ্যানে বন রাজস্বের সম্পদ ও বনকর্মী নিখোঁজ”—রহস্যে ঘেরা
টাঙ্গাইল বন বিভাগের মধুপুর জাতীয় উদ্যান রেঞ্জের বন রাজস্ব সংক্রান্ত সম্পদ এবং লাল চাঁন বাদশা নামের এক বনকর্মীর নিখোঁজ ঘটনা সময়ের সাথে আরও রহস্যাবৃত হচ্ছে । নিখোঁজ ব্যক্তির পরিবার, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও
মধুপুর শালবনের জন্য দায় ও দরদ
বর্তমানে কেবল টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলা এবং ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলায় বিস্তৃত ক্ষয়িষ্ণু মধুপুর শালবন পৃথিবীর এক প্রাচীন পত্রঝরা অরণ্য। ‘গড়’ হিসেবে পরিচিত এই বনের আদিবাসিন্দা মান্দি (গারো) ও কোচ-বর্মণ জাতি। মান্দি ভাষায় এই



























