ঢাকা ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সম্পাদকীয়

অতৃপ্তি রয়ে গেল, তবুও কুয়াকাটা ভ্রমণের বিশেষত্ব বিশাল

আমাদের শালবনবার্তা টিমের পাঁচ সদস্যের সঙ্গে ছিলেন ভোলা ও ফরিদপুরের আরও কয়েকজন ভ্রমণপিপাসু। বন বিভাগের কর্মচারী পারভেজ সাহেব, যিনি কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের মানুষ, আমাদের পথ দেখিয়ে দিলেন। বনের ভেতর দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে সমুদ্রের

‘কুয়াকাটার সমুদ্র বিলাসে এক খন্ড সুন্দরবন জয়ের স্বাদ’

সাঁতার জানা মানুষ হিসেবেই নিজেকে চিনি। কিন্তু কুয়াকাটার এই যাত্রায় আমাকেও সাঁতার না জানা মানুষের মতো লাইফ জ্যাকেট গায়ে চাপিয়ে বোটে উঠতে হলো। শৈশবে শেখা সাঁতারের স্মৃতি এখনও আছে বটে, তবে দীর্ঘদিন

কুয়াকাটা সমুদ্র পাড়ের সৌন্দর্যে মিশে যাওয়া

সকালের আলো ফুটতেই আমরা পৌঁছে গেলাম সাগরকন্যা কুয়াকাটায়। তবে গন্তব্যে পৌঁছেই পড়তে হলো এক অনাকাঙ্ক্ষিত বিড়ম্বনায়। আগে থেকেই অনলাইনে হোটেল বুকিং দেওয়া থাকলেও সেটি পছন্দ হলো না আমাদের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ডা. রনির।

অবশেষে সাগরকন্যা কুয়াকাটায় আমরা

অবশেষে দেখা মিলল সাগরকন্যা কুয়াকাটার। দীর্ঘ প্রতীক্ষা, নানা বাধা-বিপত্তি আর অসংখ্য পরিকল্পনার পর শালবনবার্তাটোয়েন্টিফোর.কম টিমের স্বপ্নের সেই ভ্রমণ বাস্তবে রূপ নিল। গত ফেব্রুয়ারিতেই দেশের সৌন্দর্যমণ্ডিত ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো ঘুরে দেখার লক্ষ্যে শালবনবার্তাটোয়েন্টিফোর.কমের

বাবা যখন কৃষক, সংগ্রাম তখন গৌরবের

‎মো. সাইফুল ইসলাম : বাংলার মাঠ-ঘাট, নদী-নালা আর সবুজ ফসলের সঙ্গে মিশে আছে কৃষকের ঘাম, শ্রম ও ত্যাগের ইতিহাস। সেই ইতিহাসের এক নীরব অধ্যায়ের নাম আমার আব্বা। তিনি কোনো বড় কর্মকর্তা নন,